বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ব্রাজিল দীর্ঘ দুই যুগ ধরে বিশ্বকাপ শিরোপা থেকে দূরে রয়েছে। সেই শূন্যতা কাটিয়ে ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে নতুন উদ্যমে মাঠে নেমেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। অভিজ্ঞ ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে সেলেসাওরা এবার শিরোপা পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন দেখছে।
তবে বিশ্বকাপ অভিযানের শুরুটা প্রত্যাশামতো হয়নি ব্রাজিলের জন্য। মরক্কোর বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে রক্ষণভাগ ভাঙতে ব্যর্থ হয়ে ১-১ গোলের ড্রয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে দলটিকে। ফলে দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে জয় পাওয়াই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।
পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিলের আধিপত্য একতরফা। অতীতের তিনটি মুখোমুখি লড়াইয়েই বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে সেলেসাওরা।
প্রথমবার দুই দল মুখোমুখি হয় ১৯৭৪ সালে একটি প্রীতি ম্যাচে। সেই ম্যাচে ৪-০ গোলের জয়ে ব্রাজিলের হয়ে গোল করেন কিংবদন্তি রিভেলিনো। এরপর ২০০৪ সালে আরেক প্রীতি ম্যাচে রোনালদিনহোর হ্যাটট্রিকে ৬-০ ব্যবধানে হারে হাইতি।
সবশেষ ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকায় আবারও মুখোমুখি হয় দুই দল। সেই ম্যাচে আরও বড় ব্যবধানে জয় পায় ব্রাজিল। ৭-১ গোলের ব্যবধানে হাইতিকে হারায় সেলেসাওরা, যেখানে ফিলিপে কৌতিনহো করেন হ্যাটট্রিক এবং রেনাতো আগুস্তো যোগ করেন জোড়া গোল।
এই তিন ম্যাচের পরিসংখ্যানই ব্রাজিলের শক্তিমত্তা এবং হাইতির বিপক্ষে তাদের স্পষ্ট আধিপত্যের ইঙ্গিত দেয়। বর্তমান দল, তারকাখচিত স্কোয়াড এবং শক্তিশালী কোচিং স্টাফ বিবেচনায় এবারও বড় ব্যবধানের জয় প্রত্যাশা করছে ফুটবল বিশ্লেষকেরা।
তবে বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতায় অতীতের পরিসংখ্যান কখনোই চূড়ান্ত নিশ্চয়তা দেয় না। অঘটনের এই মঞ্চে যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের চিত্র বদলে যেতে পারে—এমন সতর্কতাও থাকছে সব পক্ষের বিশ্লেষণে।
সিএ/এমই


