বিশ্বকাপের শুরুটা আত্মবিশ্বাসীভাবেই করেছে কলম্বিয়া। আক্রমণাত্মক ফুটবল আর লুইস দিয়াজের উজ্জ্বল পারফরম্যান্সে নবাগত উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভসূচনা করেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখার চেষ্টা করে কলম্বিয়া। আক্রমণ সাজানো, পাসের গতি এবং প্রতিপক্ষের অর্ধে আধিপত্য—সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল তারা। তবে বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে নামা উজবেকিস্তানও সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করেছে।
প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায় কলম্বিয়া শেষ ভাগে গিয়ে। ম্যাচের ৪১তম মিনিটে লুইস দিয়াজের তৈরি করা আক্রমণ থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন দানিয়েল মুনিওজ।
প্রথমার্ধজুড়ে বলের নিয়ন্ত্রণেও স্পষ্ট ব্যবধান ছিল। ম্যাচের বড় সময় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে কলম্বিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধেও একই ছন্দ ধরে রাখে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। তবে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে সমতায় ফেরে উজবেকিস্তান। একটি আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে কলম্বিয়ার রক্ষণে তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগান আব্বোসবেগ ফাইজুল্লায়েভ। গোলমুখে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান তিনি।
তবে সেই সমতা বেশিক্ষণ টিকতে দেয়নি কলম্বিয়া।
মাত্র পাঁচ মিনিট পরই আবার দলকে এগিয়ে দেন লুইস দিয়াজ। বক্সে ঢুকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে দূরের পোস্ট ঘেঁষে বল জালে পাঠিয়ে ম্যাচের মোড় আবার নিজেদের দিকে নিয়ে আসেন এই তারকা ফুটবলার।
গোলের পরও আক্রমণ থামায়নি কলম্বিয়া। শেষদিকে উজবেকিস্তান রক্ষণ সামলাতে ব্যস্ত থাকলেও নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা সময়ে আসে শেষ আঘাত। কুচো হার্নান্দেজের তৈরি করা আক্রমণ থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে ব্যবধান আরও বাড়ান জামিনটন ক্যাম্পাজ।
ম্যাচের শেষ দিকে উজবেকিস্তানও একটি সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে দূরপাল্লার শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসায় আর ব্যবধান কমানো হয়নি।
এক গোল ও এক অ্যাসিস্ট করে ম্যাচের প্রধান আলোচনায় ছিলেন লুইস দিয়াজ। তার পারফরম্যান্সে বিশ্বকাপে জয়ের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী সূচনা পেল কলম্বিয়া। অন্যদিকে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে এসে পরাজয় পেলেও কিছু ইতিবাচক মুহূর্ত সঙ্গে নিয়েই মাঠ ছাড়ে উজবেকিস্তান।
সিএ/এমই


