বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশিত শুরু করতে পারেনি পর্তুগাল। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলের ড্রয়ের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন দলের অধিনায়ক ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। ম্যাচের ফলের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সও সমর্থক ও বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।
ম্যাচজুড়ে পর্তুগালের আক্রমণের বড় দায়িত্ব ছিল অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের কাঁধে। তবে পুরো ম্যাচে প্রত্যাশামতো প্রভাব রাখতে পারেননি তিনি। প্রথমার্ধে তুলনামূলক কম সক্রিয় থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন রোনালদো।
ম্যাচে কয়েকটি সম্ভাবনাময় আক্রমণে যুক্ত হলেও গোলমুখে কার্যকর শট নিতে পারেননি তিনি। কিছু ক্ষেত্রে সুযোগ তৈরি হলেও সেগুলো শেষ পর্যন্ত ফল এনে দেয়নি। ফলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার বদলে এক পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় পর্তুগালকে।
এই ম্যাচে গোল না পাওয়ায় বড় আন্তর্জাতিক আসরে রোনালদোর অপেক্ষাও আরও দীর্ঘ হয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২ বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করার পর বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচে আর গোল করতে পারেননি পর্তুগিজ তারকা। বড় টুর্নামেন্টের মঞ্চে এটি তার দীর্ঘতম গোলশূন্য সময়গুলোর একটি হিসেবে আলোচনায় এসেছে।
এ ছাড়া ওপেন প্লে থেকে বড় আন্তর্জাতিক আসরে তার সর্বশেষ গোল এসেছিল ইউরো ২০২০-এ জার্মানির বিপক্ষে।
তবে বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করিয়ে দিচ্ছেন, রোনালদোর ক্যারিয়ারে এমন সময় আগেও এসেছে এবং তিনি একাধিকবার সমালোচনার জবাব মাঠেই দিয়েছেন। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, বড় আসরে অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বর্তমান পারফরম্যান্সও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে নেশনস লিগে রোনালদো গোল করলেও সেটিকে অনেক বিশ্লেষক বিশ্বকাপ বা ইউরোর মতো মর্যাদার টুর্নামেন্টের সঙ্গে একই পরিসরে দেখেন না।
বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে এখনও পর্তুগালের সামনে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বাকি রয়েছে। ফলে রোনালদো নিজের গোলখরা কাটিয়ে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ফিরতে পারেন কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
সিএ/এমই


