বিশ্বকাপের প্রস্তুতির সময় সাধারণত দলগুলো কৌশল, ফিটনেস, আবহাওয়া ও ম্যাচ পরিকল্পনা নিয়ে ব্যস্ত থাকে। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ড জাতীয় দলের সামনে দেখা দিয়েছে এক অস্বাভাবিক ও বিরল চ্যালেঞ্জ—‘সাপ’ আতঙ্ক।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় সান ডিয়েগোর উপকণ্ঠ কারমেল ভ্যালিতে সুইস দলের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের পাশের একটি এলাকাকে বিশেষভাবে ‘সাপ প্রবণ এলাকা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসে দলটির অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত একটি মানচিত্রের মাধ্যমে, যেখানে অনুশীলন মাঠ, জিম ও ড্রেসিংরুমের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি অংশকে লাল রঙে সতর্কভাবে চিহ্নিত করা হয়।
আগামী ১৩ জুন কাতারের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচের আগে দলটি চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে। তার আগে এই সতর্কতা সুইস শিবিরে বাড়তি মনোযোগ ও নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি করেছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, খেলোয়াড় ও স্টাফদের যাতে অনুশীলনের সময় অসাবধানতাবশত ওই পাহাড়ি ঢাল বা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ না করতে হয়, সে কারণেই এই লাল সতর্ক সংকেত ব্যবহার করা হয়েছে।
কারমেল ভ্যালি অঞ্চলটি বন্যপ্রাণী বৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত, বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় বিষাক্ত র্যাটলস্নেকের উপস্থিতি রয়েছে বলে জানা যায়। অতীতেও এই অঞ্চলে হাইকিং বা ট্র্যাকিংয়ের সময় সাপের কামড়ের ঘটনা ঘটেছে, যা নিরাপত্তা ঝুঁকিকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
এখন পর্যন্ত সুইস দলের কোনো খেলোয়াড় বা স্টাফ এই ধরনের কোনো ঘটনার মুখোমুখি হয়নি। তবে এই ঘটনা ফুটবল বিশ্বকে আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে যে বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে মাঠের বাইরের অপ্রত্যাশিত পরিবেশগত চ্যালেঞ্জও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মাঠের বাইরের এই সতর্কতার মধ্যেও প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি রাখছে না সুইজারল্যান্ড। ‘গ্রুপ বি’-তে থাকা দলটি সম্প্রতি নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে স্ন্যাপড্রাগন স্টেডিয়ামে ১-১ গোলে ড্র করেছে, যা ক্যাম্প থেকে প্রায় ১৯ মাইল দূরে অবস্থিত।
সিএ/এমই


