দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর অনেক স্মার্টফোন আগের মতো দ্রুত কাজ করে না। অ্যাপ খুলতে সময় লাগে, স্টোরেজ দ্রুত ভরে যায় এবং সার্বিক কর্মক্ষমতা কমে আসে। তবে কিছু সহজ পরিবর্তন ও নিয়ম মেনে চললে পুরোনো স্মার্টফোনকে আরও কিছুদিন স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষ করে দুই থেকে তিন বছর বা তার বেশি সময় ধরে ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে কিছু সেটিংস পরিবর্তন এবং অপ্রয়োজনীয় ফাইল অপসারণের মাধ্যমে কর্মক্ষমতা বাড়ানো যায়। এতে নতুন ফোন কেনার প্রয়োজন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব হতে পারে।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, স্মার্টফোন ধীরগতির হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো অতিরিক্ত অ্যাপের ব্যবহার। অনেক সময় ব্যবহারকারীর অজান্তেই বিভিন্ন অ্যাপ ডাউনলোড হয়ে স্টোরেজের বড় অংশ দখল করে নেয়। ফলে প্রসেসরের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে এবং ফোনের গতি কমে যায়।
এ কারণে নিয়মিত ব্যবহার করা হয় না এমন অ্যাপগুলো মুছে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এতে স্টোরেজ খালি হওয়ার পাশাপাশি অপারেটিং সিস্টেমও তুলনামূলক স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, সম্ভব হলে জনপ্রিয় অ্যাপগুলোর লাইট সংস্করণ ব্যবহার করা ভালো। সাধারণত এসব অ্যাপ কম স্টোরেজ ব্যবহার করে এবং কম ক্যাশ ফাইল তৈরি করে। ফলে ফোনের মেমোরি ও প্রসেসরের ওপর চাপ কম পড়ে।
উদাহরণ হিসেবে ফেসবুক লাইটের কথা উল্লেখ করা যায়। যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলনামূলক কম সময় ব্যয় করেন, তারা লাইট সংস্করণ ব্যবহার করলে ফোনে অতিরিক্ত জায়গা খালি থাকে এবং ব্যাটারির ওপরও কম চাপ পড়ে।
প্রযুক্তি খাতের পর্যবেক্ষকদের মতে, পুরোনো স্মার্টফোন বাতিল করার আগে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ অপসারণ, লাইট অ্যাপ ব্যবহার এবং প্রয়োজনীয় সেটিংস পরিবর্তনের মতো সহজ পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করলে ডিভাইসের ব্যবহারযোগ্যতা আরও দীর্ঘায়িত করা সম্ভব।
সিএ/এমআর


