স্মার্টফোন নতুন অবস্থায় দ্রুতগতির হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর কর্মক্ষমতা কমতে শুরু করে। কয়েক মাস ব্যবহারের পর অনেকেই লক্ষ্য করেন, ফোন আগের মতো দ্রুত কাজ করছে না। তবে নতুন ফোন কেনার আগে কিছু সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করেই পুরোনো ফোনের গতি অনেকটাই বাড়ানো সম্ভব।
ফোনের গতি কমে যাওয়ার পেছনে সাধারণত অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ, স্টোরেজ ভরে যাওয়া এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা প্রক্রিয়াগুলো দায়ী থাকে। তাই প্রথমেই প্রয়োজন অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো সরিয়ে ফেলা। যেসব অ্যাপ নিয়মিত ব্যবহার করা হয় না, সেগুলো আনইনস্টল করলে ফোনের পারফরম্যান্স উন্নত হয়। একই সঙ্গে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান অ্যাপগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দিলে প্রসেসরের ওপর চাপ কমে।
দ্বিতীয় ধাপে ফোনের স্টোরেজ ফাঁকা রাখা জরুরি। অতিরিক্ত ফাইল, ছবি বা ভিডিও জমে গেলে ফোনের গতি কমে যায়। অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা বিল্ট-ইন ক্লিনিং অ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলতে পারেন। অন্যদিকে আইফোন ব্যবহারকারীরা সেটিংস থেকে স্টোরেজ ব্যবহারের বিস্তারিত দেখে প্রয়োজন অনুযায়ী ফাইল বা অ্যাপ সরিয়ে নিতে পারেন।
সবশেষ উপায় হিসেবে রয়েছে ফ্যাক্টরি রিসেট। অন্য কোনো পদ্ধতিতে কাজ না হলে এই পদ্ধতি ফোনকে প্রায় নতুন অবস্থায় ফিরিয়ে আনে। তবে রিসেট করার আগে অবশ্যই সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ব্যাকআপ রাখতে হবে, কারণ এতে ফোনের সব ডেটা মুছে যায়।
সঠিকভাবে এই তিনটি পদ্ধতি অনুসরণ করলে পুরোনো ফোনের গতি অনেকটাই বাড়ানো সম্ভব এবং নতুন ফোন কেনার প্রয়োজন কিছুদিন পিছিয়ে দেওয়া যায়।
সিএ/এমআর


