ক্যালেন্ডারের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৬ মে সউদী আরবে জিলকদ মাসের ২৯তম দিন এবং ১৭ মে ৩০তম দিন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই হিসাবে ১৭ মে থেকে জিলহজ মাস শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর সে অনুযায়ী ২৭ মে ঈদুল আজহা পালনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এ ছাড়া ঈদের আগের দিন হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।
অন্যদিকে সউদী আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে চাঁদ দেখার সময়ের ভিন্নতার কারণে ঈদের সম্ভাব্য তারিখেও কিছু পার্থক্য দেখা দিতে পারে। বর্তমানে সউদীতে জিলকদ মাসের ১৬তম দিন চললেও আমিরাতে চলছে ১৫তম দিন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিদরা জানিয়েছেন, আগামী ১৭ মে পূর্ব আকাশে জিলহজ মাসের নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে দেশটিতেও ২৭ মে ঈদুল আজহা পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পাকিস্তানেও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দেশটির জ্যোতির্বিদদের মতে, ১৬ ও ১৭ মে রাতের মধ্যে নতুন চাঁদের জন্ম হতে পারে। যদি ১৭ মে সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যায়, তাহলে ২৭ মে ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর চাঁদ দেখা না গেলে ঈদ হতে পারে ২৮ মে।
পাকিস্তানে কেন্দ্রীয় চাঁদ দেখা কমিটি রুয়েত-ই-হিলাল স্থানীয় পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে চূড়ান্ত ঘোষণা দেবে বলে জানা গেছে।
সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ২৭ মে ঈদুল আজহা পালনের সম্ভাবনা থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে চাঁদ দেখার ওপর।
সিএ/এমআর


