রমজানে এশার ফরজ ও সুন্নতের পর এবং বিতরের আগে যে ২০ রাকাত নামাজ আদায় করা হয়, তা তারাবি নামাজ নামে পরিচিত। তারাবির সময় হলো এশার নামাজের পর থেকে ফজরের নামাজের আগ পর্যন্ত। এই নামাজ সুন্নতে মুয়াক্কাদা এবং অপারগতা ছাড়া তা পরিত্যাগকারী গুনাহগার হবেন।
তারাবি নামাজ সাধারণত দুই রাকাত করে আদায় করা হয়। দুই রাকাত শেষে সালাম ফিরিয়ে আবার নতুন করে দুই রাকাত পড়া সুন্নত পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) তারাবির নামাজে উম্মতকে উৎসাহ দিয়েছেন এবং বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে ও পরকালের আশায় রমজানের রাতে কিয়ামুল লাইল আদায় করবে, তার অতীতের পাপ মার্জনা করা হবে।’
ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী, চার রাকাত একসঙ্গে আদায় করে শেষে সালাম ফেরালেও তারাবি নামাজ আদায় হয়ে যাবে। তবে এর জন্য দ্বিতীয় রাকাতের পর তাশাহহুদ পরিমাণ বসা শর্ত। তবুও চার রাকাত করে পড়া উত্তম নয় এবং ইচ্ছাকৃতভাবে এমন করা মাকরূহ হিসেবে বিবেচিত।
রমজান মাস ইবাদতের মাস। এ মাসে নফল ইবাদতের সওয়াব বাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ফরজ ইবাদতের সওয়াব বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। হাদিসে বর্ণিত ফজিলতের আলোকে বলা যায়, রমজানে তারাবি নামাজ আদায়ের সওয়াবও অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ।
সিএ/এমআর


