গরমের দিনে ভারী খাবারের বদলে টক, ঝাল ও হালকা স্বাদের খাবারের চাহিদা বেড়ে যায়। কাঁচা আমের টক স্বাদ, কাসুন্দির ঝাঁজ এবং চিংড়ির মজাদার স্বাদ একসঙ্গে মিলিয়ে তৈরি করা যায় ব্যতিক্রমী এক পদ ‘আম-কাসুন্দি চিংড়ি’। গরম ভাত, পোলাও কিংবা সাধারণ দুপুরের খাবারের সঙ্গে সহজেই মানিয়ে যায় এ রেসিপি।
মৌসুমি কাঁচা আমের সময় শেষ হওয়ার আগেই ঘরেই তৈরি করা যেতে পারে সুস্বাদু এ খাবার। রান্না করতে খুব বেশি সময়ও লাগে না। সঠিক উপকরণ ও পদ্ধতি মেনে রান্না করলে এটি হয়ে ওঠে ঝাল-টক-মিষ্টির অনন্য সংমিশ্রণ।
এ রেসিপির জন্য প্রয়োজন হবে ৩৫০ গ্রাম মাঝারি আকারের চিংড়ি, একটি কাঁচামিঠা আম, দুই টেবিল চামচ কালো সরিষা, এক টেবিল চামচ সাদা সরিষা, দুই টেবিল চামচ পোস্ত, কয়েকটি কাঁচালঙ্কা, এক টেবিল চামচ কাসুন্দি, এক চা-চামচ চিনি, স্বাদমতো লবণ, আধা চা-চামচ হলুদ ও পরিমাণমতো সরিষার তেল।
প্রথমে কাঁচা আম ছোট টুকরো করে মিক্সারে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। চাইলে পাটায় বেটেও মিহি করা যেতে পারে। এরপর সরিষা, পোস্ত, কাঁচালঙ্কা, হলুদ ও লবণ একসঙ্গে বেটে নিতে হবে।
কড়াইয়ে সরিষার তেল গরম করে আগে থেকে লবণ-হলুদ মাখানো চিংড়ি হালকা ভেজে নিতে হবে। এরপর এতে কাঁচা আমের মিশ্রণ দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে নিতে হবে। পরে সরিষা-পোস্ত বাটা যোগ করে অল্প আঁচে রান্না করতে হবে।
রান্নার মাঝামাঝি সময়ে স্বাদমতো চিনি দিতে হবে। সবশেষে কাসুন্দি, চেরা কাঁচালঙ্কা ও সামান্য কাঁচা সরিষার তেল যোগ করে আরও কয়েক মিনিট রান্না করলেই তৈরি হয়ে যাবে আম-কাসুন্দি চিংড়ি।
এ খাবার গরম ভাতের সঙ্গে সবচেয়ে ভালো লাগে। তবে বাসন্তী পোলাওয়ের সঙ্গেও এটি পরিবেশন করা যেতে পারে।
সিএ/এমআর


