গরমকালে ঘি খাওয়া নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধা থাকলেও পুষ্টিবিদরা বলছেন, সঠিক পরিমাণে ঘি গ্রহণ শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। শুধু স্বাদ বাড়ানোই নয়, ঘি শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমের সময় অতিরিক্ত ঘাম ও ক্লান্তির কারণে শরীর দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় অল্প পরিমাণ ঘি খাদ্যতালিকায় যোগ করলে শক্তি ফিরে পেতে সহায়তা করে। বিশেষ করে ডাল বা হালকা খাবারের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খেলে তা শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
ঘিতে থাকা ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গরমকালে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়লেও নিয়মিত পরিমিত ঘি গ্রহণ শরীরকে সুরক্ষা দিতে পারে।
এছাড়া পানিশূন্যতা রোধেও ঘি কার্যকর ভূমিকা রাখে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। এটি শরীরের ভেতরে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে এবং ত্বকের শুষ্কতা কমায়।
হজমশক্তি উন্নত করতেও ঘির ভূমিকা রয়েছে। ঘিতে থাকা বিউটারিক অ্যাসিড অন্ত্রের কার্যক্রম উন্নত করে এবং খাবার হজম সহজ করে তোলে। কার্বোহাইড্রেটজাত খাবারের সঙ্গে ঘি খেলে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কমে, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।
অনেকের ধারণা, ঘি শরীর গরম করে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিমিত পরিমাণে ঘি গ্রহণ করলে এটি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করতে পারে এবং ভেতরের প্রদাহ কমাতে ভূমিকা রাখে।
তবে অতিরিক্ত ঘি খেলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে পরিমিত পরিমাণে ঘি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সিএ/এমআর


