গ্রিন টি কম ক্যালরিযুক্ত ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ একটি জনপ্রিয় পানীয়। পরিবেশ দূষণ, ধূমপানসহ ভেতরের ও বাইরের নানা কারণে কোষের যে ক্ষতি হয়, তা প্রতিরোধে গ্রিন টির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে সঠিক সময়ে পান করলে এর উপকারিতা আরও বেশি পাওয়া যায় বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।
নাস্তার এক থেকে দুই ঘণ্টা পর গ্রিন টি পান করা সবচেয়ে উপযোগী। গ্রিন টিতে থাকা ক্যাটেচিন উদ্ভিদজাত খাবারের নন-হিম আয়রনের শোষণ কমাতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের সময় নয়, বরং কিছুটা বিরতি দিয়ে গ্রিন টি পান করলে এই প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
দেরি সকালে কিংবা বিকেলের দিকে অনেকেরই ক্লান্তি বা মনোযোগের ঘাটতি দেখা দেয়। এ সময় গ্রিন টিতে থাকা ক্যাফেইন ও এল-থিয়ানিন সাময়িকভাবে সতর্কতা ও মানসিক কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাশক্তি দুর্বল হওয়ার ঝুঁকিও কমতে পারে।
খাবারের সঙ্গে গ্রিন টি পান করা যেতে পারে, যদি আয়রনজনিত কোনো সমস্যা না থাকে। কফির তুলনায় এতে ক্যাফেইনের পরিমাণ কম হওয়ায় অনেকের জন্য এটি ভালো বিকল্প। তবে ঘুমানোর আগে গ্রিন টি পান না করাই ভালো, কারণ ক্যাফেইন ঘুমের মানে প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, আয়রনসমৃদ্ধ খাবার বা আয়রন সাপ্লিমেন্টের সঙ্গে গ্রিন টি পান করলে আয়রন শোষণ বাধাগ্রস্ত হয়। তাই এসব ক্ষেত্রে সময়ের ব্যবধান রাখা জরুরি।
সিএ/এমআর


