শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। মাঝে মাঝে রোদ উঠলেও ঠান্ডার প্রকোপ কমছে না। বিশেষ করে যাদের বাতের ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা শারীরিক দুর্বলতা রয়েছে, তাদের ভোগান্তি আরও বেড়েছে। এই সময় শরীর যতটা সম্ভব গরম রাখা জরুরি। সঠিক খাবার গ্রহণ করলে শরীর উষ্ণ রাখা সহজ হয়।
আদার মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক থার্মোজেনিক উপাদান শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি ঠান্ডাজনিত অস্বস্তি কমায় এবং সংক্রমণ থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। শীতকালে যাদের হজমের সমস্যা থাকে, তাদের জন্য আদা বিশেষভাবে উপকারী।
রসুনে থাকা ইমিউন-বুস্টিং উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্ত সঞ্চালন সক্রিয় রাখে এবং শরীর উষ্ণ রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত রসুন খেলে হাঁচি-কাশির ঝুঁকিও কমে।
দারুচিনি বিপাক হার বাড়াতে সাহায্য করে এবং ঠান্ডার মধ্যেও শরীরকে সক্রিয় রাখে। চায়ের সঙ্গে চিনি বাদ দিয়ে দারুচিনি ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ছাড়া বিভিন্ন খাবার ও স্ন্যাকসের সঙ্গেও দারুচিনি খাওয়া উপকারী।
কাঠবাদামে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন ও ভিটামিন ই রয়েছে, যা শরীর গরম রাখতে ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন এক মুঠো কাঠবাদাম খেলে শক্তি বাড়ে এবং নানা রোগের ঝুঁকি কমে। পাশাপাশি মসুর ডাল প্রোটিন, ফাইবার ও প্রয়োজনীয় খনিজে সমৃদ্ধ। শীতের দিনে পাতলা ঝোল করে মসুর ডাল খেলে শরীর হাইড্রেটেড ও উষ্ণ থাকে।
সিএ/এমআর


