ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। অভিযোগের পর উদ্ধার হওয়া কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। একই ঘটনায় অভিযুক্ত এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (৭ জুন) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে ১৩ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থীকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) এবং ফরেনসিক বিভাগে নেওয়া হয়। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরীক্ষার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৮ মে সকালে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
মামলায় কামরুল ইসলাম (২৪) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। তদন্তের ধারাবাহিকতায় শনিবার (৬ জুন) চট্টগ্রাম থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। একই সময় অভিযুক্ত কামরুল ইসলামকেও গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, আলামত সংগ্রহ এবং অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তদন্ত আরও এগিয়ে নেওয়া হবে। মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “মামলার আলামত সংগ্রহ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সংক্রান্ত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেক হাসপাতালে আনা হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সিএ/এমই


