নোয়াখালীর sবেগমগঞ্জে জুবায়ের হোসেন রাকিব (২৩) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে অভিযুক্ত সন্দেহে পাঁচটি বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দুটি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে।
রবিবার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাকিবের স্বজন ও উত্তেজিত স্থানীয়রা এ হামলা চালায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের জেরে পাঁচটি ঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে এবং আরও তিনটি ঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৩০ মে) রাতে জুবায়ের হোসেন রাকিবকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত রাকিব একই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খানপুর গ্রামের ভোলা গাজী বাড়ির সৌদি প্রবাসী মো. হানিফের ছেলে। তিনি ঢাকা ও নোয়াখালীর বিভিন্ন শপিং মলে চাকরি করতেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েক দিন আগে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাকিবের চাচাতো ভাইয়ের ছেলের সঙ্গে এক দোকানদারের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলছিল। শনিবার রাতে পাকমুন্সিরহাট বাজারে উভয় পক্ষকে নিয়ে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হলে সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়।
এ সময় রাকিবকে সেখান থেকে চলে যেতে বলা হলে তিনি ছোট ভাই রিমনকে নিয়ে বাড়ির পথে রওনা দেন। পরে পাকমুন্সিরহাট বাজারের অন্ধকার একটি এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাদের পথরোধ করে হামলা চালায়। এতে রাকিব গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে ছোট ভাই রিমনও মারধরের শিকার হন বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং পুলিশ তদন্ত ও আইনগত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে
সিএ/এমই


