একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
সোমবার দেওয়া এক শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, ‘মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যু দেশের শিল্প, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক বিকাশ এবং নতুন প্রজন্মের সৃজনশীল চর্চায় যে অনন্য অবদান রেখে গেছেন, তা জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তার সৃষ্টিকর্ম ও আদর্শ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে চিরদিন অনুপ্রাণিত করবে।’
শোকবার্তায় তথ্যমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
সোমবার সকালে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুস্তাফা মনোয়ার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।
১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে তাঁর জন্ম। তাঁর পৈতৃক নিবাস ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।
দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে তিনি দেশের অন্যতম শ্রদ্ধেয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। শিল্প ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।
মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী এবং বিভিন্ন মহল তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
সিএ/এমআর


