সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় দুই পক্ষের শ্রমিক সংঘর্ষে রিপন আহমদ (৩০) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনায় মোট ৮৯ জনকে আসামি করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৬০ জন অজ্ঞাতপরিচয়।
মৃত রিপনের বাবা ছাবলু মিয়া বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার (৭ মে) সিলেট কোতোয়ালি থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস-কোচ-মাইক্রোবাস পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মইনুল ইসলামকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজনসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৭ এপ্রিল দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকটি বাস ও টিকিট কাউন্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে পুলিশ চেষ্টা চালালেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেতে হয়। পরে বিকেল চারটার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সিলেট-জগন্নাথপুর রুটের এক শ্রমিক নেতার মৃত্যুর পর গঠিত আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে বিরোধ থেকেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত রিপন আহমদকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শনিবার (২ মে) বেলা সোয়া ১১টার দিকে তিনি মারা যান।
তিনি পেশায় একটি মাইক্রোবাসের চালকের সহকারী (হেলপার) ছিলেন।
সিএ/এমই


