অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় বেতন কমিশনের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিপুল আর্থিক ব্যয়ের কারণে প্রথম ধাপে সবার জন্য পূর্ণাঙ্গ সুবিধা বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না। তবে নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, নতুন বাজেটে বেতন-ভাতা ও পেনশন খাতে অতিরিক্ত প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এই অর্থের মাধ্যমে প্রস্তাবিত মূল বেতনের একটি বড় অংশ বাস্তবায়নের চিন্তা করছে সরকার।
বিশেষ করে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশের কিছু অংশ প্রথম ধাপেই কার্যকর হতে পারে। এতে নিম্ন আয়ের কর্মচারীরা তাৎক্ষণিক স্বস্তি পেতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও নতুন প্রস্তাবে বড় পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। বর্তমানে যারা মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পান, তাদের জন্য ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। অন্যদিকে বেশি পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের জন্য বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম রাখা হতে পারে।
এ ছাড়া ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করার সুপারিশও আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার বিষয়টিও অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হয়েছে।
সরকারি চাকরিজীবীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে তাদের জন্য মাসিক দুই হাজার টাকা ভাতা চালুর প্রস্তাবও ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
তবে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা থাকলেও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে সেগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়নে আরও সময় লাগতে পারে।
সিএ/এমআর


