নবজাতকের সুস্থ বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জন্মের পর থেকেই ধারাবাহিক সঠিক পরিচর্যা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ—সব মিলিয়ে শিশুর সার্বিক যত্নে মা-বাবার সচেতন ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জন্মের পরপরই শিশুর তাপমাত্রা স্থিতিশীল রাখা জরুরি। অতিরিক্ত কাপড় বা বিছানা ব্যবহার না করে স্বাভাবিকভাবে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। একই সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, ত্বকের অস্বাভাবিক রং, জন্ডিস বা জন্মগত কোনো সমস্যা আছে কি না তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
নবজাতকের ত্বকের যত্নও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুখ, ঘাড় ও শরীরের বিভিন্ন অংশ পরিষ্কার রাখতে গরম পানি ও জীবাণুমুক্ত তুলা ব্যবহার করতে হবে। বিশেষ করে ডায়াপার ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।
শিশুর নাড়ির যত্ন নিতে হবে সতর্কতার সঙ্গে। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে নাড়ি পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করা উচিত। পাশাপাশি জন্মের পর চোখের সংক্রমণ প্রতিরোধে নির্দিষ্ট ওষুধ ব্যবহারের কথাও বলা হয়েছে।
নিয়মিত শিশুর ওজন, শ্বাসপ্রশ্বাস ও তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, নবজাতকের জন্য মায়ের দুধই সবচেয়ে উপযোগী খাদ্য। জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব শিশুকে স্তন্যপান করানো শুরু করা উচিত।
শিশুর ঘুমের ক্ষেত্রেও সতর্কতা প্রয়োজন। প্রথম দিকে পাশ ফিরে শোয়ানো এবং পরবর্তী সময়ে চিৎ হয়ে শোয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়, যাতে শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকে।
সিএ/এমআর


