দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহের পর সাম্প্রতিক বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, একই সঙ্গে কালবৈশাখী ও বজ্রপাতের ঝুঁকি বেড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় ঝড় ও বজ্রপাতে ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টার মধ্যে সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি অঞ্চলে কয়েক দফায় তীব্র বজ্রপাতসহ মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে। রংপুর বিভাগের কিছু জেলাসহ দেশের আরও কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যা থেকে ৪ মে রাত পর্যন্ত ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বেশ কিছু জেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের পাশাপাশি ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, নরসিংদী, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, খাগড়াছড়ি, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, বরিশাল ও ভোলা অঞ্চলে এই পরিস্থিতি বেশি দেখা যেতে পারে।
এই সময়ে কিছু এলাকায় অতিভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং বজ্রপাতের ঝুঁকিও বেশি থাকবে। একই সঙ্গে ভারতের আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম অঞ্চলেও ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
এর প্রভাবে আগামী সাত দিনে দেশের বিভিন্ন জেলার নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে এবং নদনদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি সারাদেশেই দফায় দফায় কালবৈশাখী ও বজ্রসহ ঝড়বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।
সিএ/এমআর


