ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে অন্যের সম্পদ ভোগ বা আত্মসাৎ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, যা দৃশ্যমান সম্পদের পাশাপাশি অদৃশ্য সম্পদ যেমন ইন্টারনেট বা ব্যক্তিগত নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, কারও ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত থাকুক বা না থাকুক, মালিকের অনুমতি ছাড়া তা ব্যবহার করা নৈতিক ও শরয়ি দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়।
অনেক ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত অজ্ঞতার কারণে কেউ তার নেটওয়ার্ক সুরক্ষিত রাখতে না পারলেও, সেটি অন্যের জন্য ব্যবহারযোগ্য হয়ে যায় না। বরং অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করাকে হারাম বা নিষিদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করো না এবং জেনেশুনে মানুষের সম্পদের কোনো অংশ পাপভাবে গ্রাস করার উদ্দেশ্যে তা বিচারকদের কাছে পেশ করো না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৮৮)
তবে কিছু ক্ষেত্রে যেমন বিমানবন্দর, হোটেল বা নির্দিষ্ট পাবলিক স্থানে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই সরবরাহ করা হয়, সেখানে নির্ধারিত ব্যবহারকারীরা তা ব্যবহার করতে পারেন।
আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘হে ইমানদারগণ, তোমরা পরস্পরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করো না; তবে পরস্পরের সম্মতিক্রমে বৈধ ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে।’ (সুরা নিসা. আয়াত: ২৯)
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেখানে নেটওয়ার্ক ব্যবহার সীমাবদ্ধ বা ব্যক্তিগত, সেখানে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ থেকে বিরত থাকা নৈতিক দায়িত্ব। ইসলাম মানুষকে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য উভয় ধরনের অন্যায় থেকে দূরে থাকার শিক্ষা দেয়।
সিএ/এমআর


