সুস্থ শরীর ও প্রফুল্ল মন গঠনে নিয়মিত শরীরচর্চার বিকল্প নেই—এ কথা যেমন চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, তেমনি ইসলামও এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছে। শৈশব থেকে বার্ধক্য পর্যন্ত সুস্থ থাকার জন্য ব্যায়াম প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
ইসলামের দৃষ্টিতে শরীর সুস্থ রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। মহানবী Prophet Muhammad (সা.) নিজে শরীরচর্চা করতেন এবং অন্যদেরও এতে উৎসাহিত করতেন। তিনি নির্দোষ খেলাধুলা, ঘোড়দৌড়, কুস্তি ও তীর নিক্ষেপের মতো শারীরিক কর্মকাণ্ডের পরামর্শ দিয়েছেন।
হাদিসে এসেছে, ‘দুর্বল মুমিনের তুলনায় সবল মুমিন অধিক কল্যাণকর ও আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়।’ (মুসলিম: ২৬৬৪)। এছাড়া তিনি শরীরের হকের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন—‘নিশ্চয়ই তোমার ওপর তোমার শরীরের হক রয়েছে।’ (বোখারি: ৫৭০৩; তিরমিজি: ২৩৫০)।
ইবাদত পালনের জন্য শারীরিক শক্তি অপরিহার্য। সুস্থ শরীর না থাকলে মানুষের কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই স্বাস্থ্য রক্ষা ও রোগ প্রতিরোধে ইসলাম বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, শরীরচর্চা করলে শরীরে নানা রাসায়নিক উপাদান তৈরি হয় যা মানসিক প্রশান্তি বাড়ায়। নিয়মিত ব্যায়াম হৃদযন্ত্র সচল রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমায়।
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক পরিশ্রম শরীরের জন্য উপকারী। এটি ঘুমের মান উন্নত করে, মানসিক চাপ কমায় এবং কর্মস্পৃহা বাড়ায়।
সিএ/এমআর


