বিশ্বের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি দেশের নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও সরকার সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় কাজ করছে।
রোববার চট্টগ্রামের মেহেদীবাগে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক চাপের মধ্যেও সরকার অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে। জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত রাখা, পরিবহন ভাড়া নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত রাখা, ভাড়া বৃদ্ধি না করা এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তি বয়ে এনেছে।”
যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হলেও সরকার বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি। এর ফলে ঈদযাত্রায় কোথাও জ্বালানি সংকটে পরিবহন বন্ধ হয়নি এবং ভাড়াও বাড়েনি।
তিনি আরও বলেন, “যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হলেও সরকার বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের ব্যবস্থা করেছে।এর ফলে ঈদযাত্রায় কোথাও জ্বালানির সংকটে পরিবহন বন্ধ হয়নি এবং ভাড়াও বাড়েনি। চেষ্টা করছি এটা ধরে রাখার।”
মন্ত্রী জানান, রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে গার্মেন্টস খাতে আগাম বেতন-ভাতা পরিশোধ নিশ্চিত করায় শ্রমিক অসন্তোষ দেখা যায়নি। এছাড়া ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার্স কার্ড চালু, কৃষিঋণ মওকুফ এবং ধর্মীয় ব্যক্তিদের ভাতা প্রদানের মতো উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সবাইকে সংযম ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
সিএ/এমআর


