জিতলেই সেমিফাইনালের টিকেট, আর হারলেই অপেক্ষা করতে হবে পাকিস্তান-শ্রীলংকা ম্যাচের ফলাফলের দিকে—এমন অবস্থায় ইংল্যান্ডকে ১৬০ রানের লক্ষ্য দিল নিউজিল্যান্ড।
টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন কিউইরা। টিম শেফার্ট ইনিংসের প্রথম ওভারেই জোফরা আর্চারের বলে মেডেন পেলেও পাওয়ার প্লের পরবর্তী পাঁচ ওভারে ফিন এলেনের সঙ্গে জুটি বাঁধে এবং ৫৪ রান যোগ করে। এতে পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে নিউজিল্যান্ড কোনো উইকেট হারায়নি।
পাওয়ার প্লের শেষে কিউই ওপেনাররা বেশি সময় টিকতে পারেননি। আদিল রশিদের করা সপ্তম ওভারে ২৫ বলে ৩৫ রান করা শেফার্ট স্ট্যাম্পিং হয়ে আউট হন। অষ্টম ওভারে উইল জ্যাকসের বলে টম বেথেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে এলেন ১৯ বলে ২৯ রান করে ফিরেন। ফলে ৫৪ রানে কোনো উইকেট না হারানো অবস্থায় নিউজিল্যান্ড ৬৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বসে।
এরপর তৃতীয় উইকেটে দলকে ভালো সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন গ্লেন ফিলিপস ও রাচিন রবীন্দ্র। তবে রাচিন রবীন্দ্র (১১) রেহান আহমদের বলে ৯৭ রানে আউট হন। তাদের জুটি ৩১ রান করার পর ১১ ওভার ১ বলে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৯৭ রান।
ক্রিজে এসে ঝোড়ো ব্যাট চালালেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেননি মার্ক চাপম্যান। আদিল রশিদের তৃতীয় ওভারে স্ট্যাম্পিং হয়ে দলীয় ১২৩ রানে আউট হন তিনি। এরপর ডেরিয়েল মিশেল এবং ক্রিজে থাকা গ্লেন ফিলিপস আউট হলে বড় সংগ্রহের আশা ক্ষীণ হয়ে যায়। উইল জ্যাকসের বলে বোল্ড হওয়া ফিলিপস ২৮ বলে ৩৯ রান করেন। নির্ধারিত ওভারের শেষে নিউজিল্যান্ড ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রানে ইনিংস শেষ করে।
ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট নেন আদিল রশিদ, উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ। বাকি ১ উইকেট নেন লিয়াম ডওসন।
এই ম্যাচে নিউজিল্যান্ড জিতলে সরাসরি সেমিফাইনালে উঠবে। হারলে তাদের ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে শ্রীলংকা-পাকিস্তান ম্যাচের সমাপ্তি পর্যন্ত।
সিএ/এএ


