পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঢাকার কেরানীগঞ্জের পোশাকপল্লিতে বেচাকেনা জোরদার হয়েছে। রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আগানগর, পূর্ব আগানগর, আলম বিপণিবিতান, নুরু মার্কেট, চরকালীগঞ্জ, কালীগঞ্জ ও খেজুরবাগ এলাকায় প্রায় দুই কিলোমিটারজুড়ে গড়ে উঠেছে পোশাকপল্লি। এখানে প্রায় ১৫ হাজার শোরুম ও পাঁচ হাজার ছোট-বড় কারখানা রয়েছে। এ শিল্পে কয়েক লাখ শ্রমিক কাজ করছেন।
শ্রমিকেরা সকালের শুরু থেকে সেলাই, সুতা বাছাই, মোড়কীকরণ সহ উৎপাদনের বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত। মোড়কীকরণের পর তৈরি পোশাকগুলি পাইকারি ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
বিভিন্ন কারখানার মালিকরা জানিয়েছেন, রমজান শুরুর দিন থেকেই পাইকারি ক্রেতারা আসা শুরু করেছেন। এবারের ঈদে বিশেষ চাহিদা রয়েছে পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস ও শিশুদের পোশাকের জন্য। শোরুম ও কারখানার পরিচালকরা আশা করছেন, ব্যবসার এই ধারা অব্যাহত থাকলে লক্ষ্যমাত্রা ৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়াতে পারবেন।
পাইকাররা বলছেন, কেরানীগঞ্জে পোশাকের বৈচিত্র্য বেশি, দাম তুলনামূলক কম এবং মান ভালো। তাই প্রতি বছর তারা ঈদ উপলক্ষে বড় চালান নিয়ে আসেন।
কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস ও দোকান মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ব্যবসার পরিবেশ মোটামুটি ভালো। ফুটপাতে দোকান বসতে দেওয়া হয়নি এবং ভোর থেকে রাত পর্যন্ত আনসার সদস্যদের পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে লোডশেডিং বেশি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা জেনারেটরে নির্ভর করছেন, যা নিয়ে প্রশাসনের পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন।
সিএ/এমই


