ওজন কমানোর ক্ষেত্রে দিনের প্রধান খাবারের পাশাপাশি মাঝখানের খাবার বা স্ন্যাকসও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ না খেলে ক্ষুধা বেড়ে যায় এবং তখন অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। তাই ডায়েট মেন্যুতে এমন স্ন্যাকস রাখা প্রয়োজন, যা একদিকে পুষ্টিকর, অন্যদিকে ক্যালরি কম।
বিশেষজ্ঞদের মতে, লো-ক্যালরি স্ন্যাকস শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায়, হজমে সহায়তা করে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এসব খাবারে সাধারণত ফাইবার, প্রোটিন ও ভিটামিন বেশি থাকে, যা দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে কার্যকর।
সবজি সালাদ হতে পারে সবচেয়ে সহজ ও স্বাস্থ্যকর বিকল্প। শসা, টমেটো, গাজর, লেটুসের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে তৈরি এই সালাদে ক্যালরি কম থাকে, কিন্তু ভিটামিন ও ফাইবার প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়, যা হজম ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
চিনি ছাড়া গ্রিক দইয়ের সঙ্গে ফল খেলে পেট ভরে এবং শরীর পায় প্রোটিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। স্ট্রবেরি, আপেল বা আঙুরের মতো ফলের সঙ্গে গ্রিক দই খাওয়া হলে ক্যালরি কম থাকে, আবার পুষ্টিগুণও বজায় থাকে।
সামান্য মসলা মিশিয়ে শুকনো ছোলা ভেজে নিলে তা হয়ে ওঠে প্রোটিনসমৃদ্ধ লো-ক্যালরি স্ন্যাকস। এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং বাইরে কাজের সময় বা অফিসে সঙ্গে নেওয়ার জন্যও সুবিধাজনক।
তেল বা মাখন ছাড়া এয়ার-পপড পপকর্ন ফাইবারসমৃদ্ধ ও কম ক্যালরিযুক্ত। হালকা ক্ষুধা মেটাতে এটি ভালো কাজ করে এবং অতিরিক্ত চর্বি জমার ঝুঁকিও কম থাকে।
একটি সেদ্ধ ডিমে ক্যালরি তুলনামূলক কম হলেও প্রোটিন বেশি থাকে, যা দীর্ঘ সময় ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই ডায়েট মেন্যুতে এটি একটি কার্যকর স্ন্যাকস হিসেবে রাখা যেতে পারে।
এ ছাড়া আপেল বা নাশপাতির সঙ্গে অল্প কয়েকটি বাদাম যেমন আমন্ড বা আখরোট খেলে শরীর পায় স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও ফাইবার, কিন্তু ক্যালরি খুব বেশি বাড়ে না। শসা বা গাজরের স্টিক কেটে হালকা লবণ ও গোলমরিচ ছিটিয়েও খাওয়া যেতে পারে, যা একেবারে টাটকা ও কম ক্যালরির স্ন্যাকস হিসেবে কাজ করে।
সিএ/এমআর


