তরমুজ খাওয়ার পর খোসা ফেলে দেওয়া অনেকেরই অভ্যাস। তবে পুষ্টিবিদরা বলছেন, এই খোসাতেই রয়েছে নানা উপকারী উপাদান, যা শরীরের জন্য বেশ কার্যকর হতে পারে।
তরমুজের খোসায় ফাইবার, ভিটামিন এ, সি ও বি৬, পটাশিয়ামসহ গুরুত্বপূর্ণ অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় যুক্ত করলে এটি হজমশক্তি উন্নত করা থেকে শুরু করে হৃদযন্ত্রের সুস্থতায় ভূমিকা রাখতে পারে।
খোসার অদ্রবণীয় ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকার অনুভূতি দেয়। ফলে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।
এতে থাকা সিট্রুলিন রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ব্যায়ামের পর পেশীর ব্যথা কমাতেও এটি কার্যকর বলে জানা গেছে।
ভিটামিন এ ও সি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শরীরের ক্ষতিকর উপাদানের বিরুদ্ধে কাজ করে।
তরমুজের খোসা বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। স্মুদি, সালাদ, আচার বা রান্না করা তরকারি হিসেবে এটি সহজেই খাদ্যতালিকায় যুক্ত করা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামান্য সচেতনতা খাদ্যাভ্যাসে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। তাই তরমুজের খোসা ফেলে দেওয়ার আগে এর পুষ্টিগুণ বিবেচনা করা উচিত।
সিএ/এমআর


