ডিম প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং প্রায় ৭২ ক্যালরি সমৃদ্ধ। ভিটামিন ডি, বি১২, রিবোফ্লাবিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কারণে এটি চোখের ও শরীরের জন্য উপকারী।
পুষ্টিবিদদের মতে, সেদ্ধ ডিম খেলে অতিরিক্ত চর্বি যোগ না হওয়ায় প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ন থাকে। কোলিন মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া এটি কোলেস্টেরল কমাতেও সহায়ক।
ডিম ভাজার সময় পেঁয়াজ, মরিচ, ধনেপাতা, টমেটো বা মাখনের মতো উপকরণ যোগ করা হয়, যা স্বাস্থ্যকর এবং শিশু-কিশোরদের জন্য উপকারী। তবে সয়াবিন তেলে ভাজা ডিমে থাকা ট্রান্সফ্যাট হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। শাকসবজি ও পনির মিশিয়ে ভাজলে পুষ্টিগুণ বাড়ে।
মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের দিক থেকে সেদ্ধ ও ভাজা ডিমের পুষ্টিমান প্রায় একই। সেদ্ধ ডিম প্রাকৃতিক পুষ্টি বজায় রাখে, আর ভাজা ডিম স্বাদ বাড়ায়, তবে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকতে পারে।
সিএ/এমআর


