এ বছর দেশের বিভিন্ন এলাকায় শীতের প্রকোপ তুলনামূলক বেশি দেখা যাচ্ছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও অনেক জায়গায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। নিয়মিত যারা সকালে হাঁটা বা দৌড়ানোর অভ্যাস বজায় রাখেন, তারা চাইলে শীতকালেও এটি চালিয়ে যেতে পারেন। তবে গ্রীষ্মকালের তুলনায় শীতে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীরের তাপমাত্রা কমে যেতে পারে, পেশি শক্ত হয়ে খিঁচুনি বা চোটের ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে ঠান্ডা বাতাস গলা ও ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে হাঁপানি, অ্যালার্জি বা সর্দি-কাশিতে ভোগা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে। তাই সকালে বের হওয়ার আগে হালকা স্ট্রেচিং, জাম্পিং জ্যাক বা দ্রুত হাঁটা-চলার মতো ব্যায়াম করে শরীর গরম করে নেওয়া জরুরি। এতে পেশি নরম থাকে এবং আঘাতের আশঙ্কা কমে।
শীতের সময় হালকা কিন্তু উষ্ণ পোশাক পরা উচিত, যাতে শরীরের তাপমাত্রা বজায় থাকে। কান, মাথা ও হাত ঢেকে রাখা ভালো। কুয়াশা বা অতিরিক্ত ঠান্ডা থাকলে সূর্য ওঠার পর হাঁটা বা দৌড়ানো নিরাপদ। পাশাপাশি দূষণ বেশি থাকলে ভালো মানের মাস্ক ব্যবহার করা প্রয়োজন। শ্বাসকষ্ট বা সর্দি-কাশি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
হাঁটা বা দৌড়ানোর পর হঠাৎ পোশাক পরিবর্তন না করে শরীরকে ৫–১০ মিনিট সময় দিয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আনা ভালো। শীতকালেও শরীর থেকে পানি কমে যেতে পারে, তাই ব্যায়ামের আগে ও পরে পানি পান করা জরুরি। ব্যায়ামের পর পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে শরীর দ্রুত শক্তি ফিরে পায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, খুব ঠান্ডায় খালি পেটে ব্যায়াম করা এড়িয়ে চলা উচিত এবং ব্যায়ামের পর হালকা স্ট্রেচ করলে পেশির নমনীয়তা বজায় থাকে।
সিএ/এমআর


