ইলেকট্রিক টুথব্রাশের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে শিশুরা একবার ইলেকট্রিক ব্রাশ ব্যবহার করলে সাধারণ ব্রাশে ফিরতে চায় না। প্রশ্ন হচ্ছে, ইলেকট্রিক টুথব্রাশ কি সত্যিই সাধারণ টুথব্রাশের তুলনায় বেশি কার্যকর।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দাঁতের ওপর জমে থাকা প্লাক দূর করতে ইলেকট্রিক টুথব্রাশ তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর। প্লাক জমে থাকলে মাড়ির সংক্রমণ ও দাঁতের নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ে। ইলেকট্রিক ব্রাশের ঘূর্ণনক্ষম তন্তুগুলো মুখের ভেতরের এমন জায়গাতেও পৌঁছাতে পারে, যেখানে সাধারণ ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করা কঠিন। এতে গাম ডিজিজের ঝুঁকি কমে।
ইলেকট্রিক ব্রাশ দ্রুত ঘোরার কারণে দাঁত ও মাড়ির ধারে জমে থাকা ময়লা ও দাগ গভীরভাবে পরিষ্কার করতে পারে। ফলে মুখের দুর্গন্ধ কমে এবং দাঁত তুলনামূলকভাবে উজ্জ্বল থাকে। অনেক ব্রাশে জিহ্বা পরিষ্কারের সুবিধাও থাকায় ব্যাকটেরিয়া দূর করা সহজ হয়।
প্রতি মিনিটে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৭ হাজার ৫০০ স্ট্রোক পর্যন্ত ব্রাশ করার ক্ষমতা থাকায় চা, কফি বা হলুদের দাগ দ্রুত পরিষ্কার হয়। পাশাপাশি আর্থ্রাইটিস, প্যারালাইসিস বা হাতের স্নায়ু সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের জন্য ইলেকট্রিক ব্রাশ ব্যবহার করা সহজ ও আরামদায়ক।
অনেক আধুনিক ইলেকট্রিক টুথব্রাশে প্রেশার সেন্সর ও স্মার্ট অ্যাপ সংযুক্ত থাকে, যা সঠিক চাপ ও সময় মেনে দাঁত মাজতে সহায়তা করে। তবে এসব সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও রয়েছে। ইলেকট্রিক ব্রাশের দাম সাধারণ ব্রাশের তুলনায় বেশি। বাজারে এর দাম প্রায় ৯০০ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তিন মাস পরপর ব্রাশের মাথা বদলাতে হয়। আবার কারও কারও জন্য এর ভাইব্রেশন অস্বস্তিকর হতে পারে।
সিএ/এমআর


