হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পাবনা জেলার জনজীবন। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কয়েক দিন ধরেই এই অঞ্চলে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল পাবনায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন শনিবার তাপমাত্রা নেমে আসে ৯ ডিগ্রিতে এবং শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ধারাবাহিকভাবে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় ঈশ্বরদীসহ আশপাশের এলাকায় শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে।
মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ও উত্তরের ঠাণ্ডা বাতাসে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। সকাল থেকে সূর্যের দেখা না মেলায় অনেকেই কাজে যেতে পারছেন না। দুপুরের পর কুয়াশা কিছুটা কাটলেও রোদের তেজ না থাকায় শীতের প্রকোপ কমছে না।
শীতবস্ত্রের অভাবে ছিন্নমূল ও দরিদ্র মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অনেকেই খড়কুটো ও কাঠ জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে শীতের প্রভাবে ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে।
পাবনা জেনারেল হাসপাতালের হিসাব রক্ষক সোহেল রানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৬০ জন ভর্তি হয়েছেন। তিনি বলেন, এদের মধ্যে শিশু ও বয়োবৃদ্ধের সংখ্যাই বেশি।
সিএ/এএ


