রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে গড়ে উঠেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি খেলনার বাজার। এখান থেকে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের খুচরা বিক্রেতা এবং নতুন উদ্যোক্তারা পাইকারি দামে খেলনা সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি সাধারণ ক্রেতারাও তুলনামূলক কম দামে বিভিন্ন ধরনের খেলনা কেনার সুযোগ পান।
চকবাজারের ১ নম্বর গলি, ফ্রেন্ডশিপ মার্কেট, মদিনা আশিক টাওয়ার ও বিসমিল্লাহ টাওয়ার ঘিরে বিস্তৃত এই বাজারে দেশি-বিদেশি অসংখ্য খেলনার সমাহার দেখা যায়। সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, দোকানগুলোতে রঙিন খেলনা সাজিয়ে রাখা হয়েছে। ক্রেতাদের সঙ্গে দরদাম এবং পাইকারি অর্ডার নেওয়ার ব্যস্ততাও চোখে পড়ে।
বাজারে কাঠের লাটিম, বাঁশি, গুলতি, খেলনা পিস্তল, বাবলগান, চরকি, রুবিকস কিউব, পুতুল, ফুটবল, খেলনা গাড়ি, হেলিকপ্টার, ট্রাক, বাস, পাজল, দাবা, লুডুসহ শিশুদের জন্য নানা ধরনের পণ্য পাওয়া যায়। প্রযুক্তিনির্ভর খেলনার মধ্যে রয়েছে রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি এবং ওয়াকিটকি সেট।
ব্যবসায়ীদের মতে, অধিকাংশ পণ্য পাইকারি হিসেবে বিক্রি হলেও অনেক দোকানে খুচরা ক্রেতাদের জন্যও বিক্রির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে খুচরা কিনলে কিছু ক্ষেত্রে দাম তুলনামূলক বেশি হতে পারে।
ফ্রেন্ডশিপ মার্কেটের বিভিন্ন দোকানে কাপড়ের তৈরি পুতুলেরও বড় সংগ্রহ রয়েছে। ছোট আকারের পুতুল থেকে শুরু করে বড় আকৃতির টেডি বিয়ার, ডোরেমন, সুপারহিরো চরিত্র ও বিভিন্ন প্রাণীর আদলে তৈরি পুতুল পাওয়া যায়।
ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরেও বাজারে আলাদা আমেজ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন দেশের পতাকা, রিস্টব্যান্ড, ব্যাজ, স্টিকার, ভিউকার্ড এবং ফুটবল তারকাদের ছবি সংবলিত সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। তরুণ ক্রেতাদের ভিড়ও বেশি দেখা যাচ্ছে এসব দোকানে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করতে চাইলে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে বাজারে যাওয়া ভালো। এ সময় ভিড় তুলনামূলক কম থাকে। চকবাজারের মূল মার্কেটগুলো শুক্রবার বন্ধ থাকে।
সিএ/এমআর


