জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনের প্রথম দিনে প্রয়াত সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট নাগরিক এবং সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ভুক্তভোগীদের স্মরণে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। রোববার সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সূচনায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ শোক প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করা হয়।
শোক প্রস্তাব গ্রহণের পর সংসদে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে মোনাজাত পরিচালনা করেন এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান।
অধিবেশনে আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম রহমত উল্লাহ, দবিরুল ইসলাম, এবিএম আনোয়ারুল হক, মোসলেম উদ্দিন এবং সাবেক মন্ত্রী শফিক আহমেদসহ কয়েকজন প্রয়াত রাজনীতিকের স্মরণে শোক জানানো হয়। একই সঙ্গে দশম জাতীয় সংসদের স্বতন্ত্র সদস্য আবদুল মতিনের মৃত্যুতেও গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।
এ ছাড়া সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা, অধ্যাপক এম এ মান্নান, সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদীন, জিএম ফজলুল হক, জাতীয় পার্টির নেতা সৈয়দ মো. কায়সার, আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক, গোলাম সারোয়ার মিলন এবং সিপিবির সাবেক সংসদ সদস্য মো. সামসুদ্দোহার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়।
সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী অধ্যাপক দিলারা হাফিজ, জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ, কবি হেলাল হাফিজ, ছায়ানটের সভাপতি সনজীদা খাতুন, সংগীতশিল্পী মুস্তফা জামান আব্বাসী, লেখক বদরুদ্দীন উমর, শিল্পী ডালিয়া নওশীন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমানসহ বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্টজনদেরও স্মরণ করা হয়।
এদিন মিরপুরে আলোচিত শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড, ফাহিমা মিম, নরসিংদীর আমিনা এবং তাবাসসুম আক্তারের মৃত্যুতেও গভীর শোক প্রকাশ করে জাতীয় সংসদ। সংসদ সদস্যরা এসব ঘটনায় শোক জানিয়ে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
সংসদের রীতি অনুযায়ী, অধিবেশনের প্রথম দিনে প্রয়াত মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট নাগরিক এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের স্মরণে শোক প্রস্তাব আনা হয়। এবারের অধিবেশনেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়েছে।
সিএ/এমআর


