প্রতি বছর ৬ মে পালিত হওয়া এ দিবসটি প্রথম শুরু হয় ১৯৯২ সালে। ব্রিটিশ নারীবাদী ও সমাজকর্মী মেরি ইভান্স ইয়াং শরীরের স্বাভাবিক গঠনকে সম্মান জানানো এবং অবাস্তব সৌন্দর্যচর্চার বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেন।
তার মতে, নির্দিষ্ট ধরনের শরীর বা চেহারাই সৌন্দর্যের একমাত্র মানদণ্ড—এ ধারণা মানুষের আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে। তাই নিজের শরীরকে গ্রহণ করার সংস্কৃতি গড়ে তুলতেই চালু করা হয় আন্তর্জাতিক নো ডায়েট ডে।
দিবসটি শুধু ইচ্ছেমতো খাবার খাওয়ার বিষয় নয়, বরং বডি পজিটিভিটির বার্তাও বহন করে। যারা সারা বছর কঠোর খাদ্যনিয়ন্ত্রণে থাকেন, তাদের জন্য এটি একদিনের মানসিক স্বস্তির সুযোগ হিসেবেও বিবেচিত হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ হলেও ভুল নিয়মে ডায়েট করলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। অতিরিক্ত খাদ্যনিয়ন্ত্রণ অনেক সময় শারীরিক দুর্বলতা, মানসিক অবসাদ ও পুষ্টিহীনতার কারণ হয়। তাই সুষম খাদ্যাভ্যাস ও শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার গ্রহণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
নব্বইয়ের দশকে দিবসটি দ্রুত জনপ্রিয়তা পায় এবং পরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দিবসটি ঘিরে নানা সচেতনতামূলক প্রচারণা দেখা যায়।
সিএ/এমআর


