মার্কিন মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ১১টি গ্রাম খালি করার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ, যা চলমান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধবিরতি এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে কার্যকর হলেও পরে তা মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে বাস্তবে সংঘাত পুরোপুরি থামেনি বলে অভিযোগ উঠছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানায়, যুদ্ধবিরতি থাকলেও মাঠপর্যায়ে লড়াই অব্যাহত রয়েছে। এক চীনা কূটনীতিকের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘এটি যুদ্ধবিরতি নয়, বরং কম মাত্রার যুদ্ধ।’
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েল বর্তমানে পাঁচটি সেনা ইউনিট মোতায়েন রেখেছে। নিয়মিত বোমা হামলায় একের পর এক বাড়িঘর ধ্বংস হচ্ছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে।
রোববার সকালে নতুন করে ১১টি গ্রাম খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর মধ্যে তিনটি গ্রাম প্রথমবারের মতো এমন নির্দেশ পেল। কিছু গ্রাম লিতানি নদীর উত্তর দিকেও অবস্থিত বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ নতুন নয়, তবে এটি ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতার পরিধি ধীরে ধীরে বিস্তৃত হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদে নিজ বাড়িতে ফেরার অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
এ পরিস্থিতিতে লেবাননের দুর্বল রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ছে বলে মন্তব্য করা হচ্ছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি সরকারি সেবাগুলো আরও সংকটে পড়ছে।
সিএ/এএ


