চলমান আন্তর্জাতিক সংঘাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক শ্রমবাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এর প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ ও কর্মসংস্থানের সুযোগে। এই প্রেক্ষাপটে বিদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণে সরকার একগুচ্ছ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় শ্রমবাজারে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বিদ্যমান বাজারগুলোকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যুদ্ধ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে যেসব দেশে শ্রমবাজার সংকুচিত হচ্ছে, সেসব দেশের বিকল্প হিসেবে নতুন গন্তব্য খোঁজার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
কর্মসংস্থান ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দক্ষ জনশক্তি তৈরি, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং বিদেশে যাওয়ার প্রক্রিয়া সহজীকরণে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিদেশে কর্মী প্রেরণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং দালালচক্রের দৌরাত্ম্য কমাতে নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে।
এছাড়া বিদেশি শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুসংহত করতে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে নতুন চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, যা প্রবাসী শ্রমবাজারকেও প্রভাবিত করবে। এ অবস্থায় দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি এবং বিকল্প বাজার তৈরি করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
সরকার আশা করছে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও স্থিতিশীল থাকবে।
সিএ/এএ


