মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন মানবজাতির জন্য দয়া ও করুণার প্রতীক। উম্মতের কল্যাণ ও মুক্তির জন্য তাঁর ভালোবাসা ছিল গভীর ও নিঃস্বার্থ।
হাদিসে বর্ণিত আছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কাছে উম্মতের জন্য কাঁদতেন এবং তাদের হেদায়েত কামনা করতেন। তিনি বলেন, ‘اللهُمّ أُمّتِي أُمّتِي’। তাঁর এই দোয়ার প্রতিক্রিয়ায় আল্লাহ তাআলা সন্তুষ্টির প্রতিশ্রুতি দেন।
أَنّ النّبِيّ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ: تَلَا قَوْلَ اللهِ عَزّ وَجَلّ فِي إِبْرَاهِيمَ: رَبِّ اِنَّهُنَّ اَضْلَلْنَ كَثِیْرًا مِّنَ النَّاسِ فَمَنْ تَبِعَنِیْ فَاِنَّهٗ مِنِّیْ، وَقَالَ عِيسَى عَلَيْهِ السّلَامُ: اِنْ تُعَذِّبْهُمْ فَاِنَّهُمْ عِبَادُكَ وَ اِنْ تَغْفِرْ لَهُمْ فَاِنَّكَ اَنْتَ الْعَزِیْزُ الْحَكِیْمُ، فَرَفَعَ يَدَيْهِ وَقَالَ: اللهُمّ أُمّتِي أُمّتِي، وَبَكَى، فَقَالَ اللهُ عَزّ وَجَلّ: يَا جِبْرِيلُ اذْهَبْ إِلَى مُحَمّدٍ، وَرَبّكَ أَعْلَمُ، فَسَلْهُ مَا يُبْكِيكَ؟ فَأَتَاهُ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ الصّلَاةُ وَالسّلَامُ، فَسَأَلَهُ فَأَخْبَرَهُ رَسُولُ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ بِمَا قَالَ، وَهُوَ أَعْلَمُ، فَقَالَ اللهُ: يَا جِبْرِيلُ، اذْهَبْ إِلَى مُحَمّدٍ، فَقُلْ: إِنّا سَنُرْضِيكَ فِي أُمّتِكَ، وَلَا نَسُوءُكَ
আরেক হাদিসে নবীজি উম্মতের প্রতি তাঁর দায়িত্ববোধের তুলনা দিয়েছেন এমন একজন মানুষের সঙ্গে, যিনি আগুনে পতঙ্গ পড়া থেকে তাদের রক্ষা করার চেষ্টা করেন।
مَثَلِي وَمَثَلُكُمْ كَمَثَلِ رَجُلٍ أَوْقَدَ نَارًا، فَجَعَلَ الْجَنَادِبُ وَالْفَرَاشُ يَقَعْنَ فِيهَا، وَهُوَ يَذُبُّهُنَّ عَنْهَا، وَأَنَا آخِذٌ بِحُجَزِكُمْ عَنِ النَّارِ، وَأَنْتُمْ تَفَلَّتُونَ مِنْ يَدِي
কোরআনের আয়াতেও নবীজির এই দরদ ও মমতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে তিনি উম্মতের জন্য গভীর উদ্বেগ অনুভব করতেন।
فَلَعَلَّكَ بَاخِعٌ نَّفْسَكَ عَلٰۤی اٰثَارِهِمْ اِنْ لَّمْ یُؤْمِنُوْا بِهٰذَا الْحَدِیْثِ اَسَفًا
এছাড়া কেয়ামতের দিন উম্মতের জন্য শাফায়াতের দোয়া সংরক্ষণ করার কথাও হাদিসে এসেছে, যা তাঁর ভালোবাসার অন্যতম নিদর্শন।
لِكُلِّ نَبِيٍّ دَعْوَةٌ مُسْتَجَابَةٌ يَدْعُو بِهَا فَيُسْتَجَابُ لَهُ، فَيُؤْتَاهَا، وَإِنِّي اخْتَبَأْتُ دَعْوَتِي شَفَاعَةً لِأُمَّتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ
সিএ/এমআর


