ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষকতার মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) নিজেকে শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, যা ইসলামে শিক্ষকের গুরুত্বকে বিশেষভাবে তুলে ধরে।
ইলম বা জ্ঞান অর্জনের সঙ্গে আখলাক বা নৈতিকতার সম্পর্ক গভীর। ইসলামী শিক্ষায় বলা হয়, আখলাক ছাড়া ইলম পূর্ণতা পায় না। একজন শিক্ষক কেবল জ্ঞানদানকারী নন, বরং নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের পথপ্রদর্শকও।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষকের আচরণ ও কথাবার্তায় মর্যাদা বজায় রাখা জরুরি। শিক্ষার্থীদের সম্মান দেওয়া এবং তাদের সঙ্গে সদাচরণ শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ইসলামের প্রাথমিক যুগে শিক্ষার্থীদেরও উচ্চ মর্যাদা দেওয়া হতো। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর পারস্পরিক সম্মানই একটি সুস্থ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলে বলে মনে করা হয়।
এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বলা হয়, জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি চরিত্র গঠনই শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। আখলাকবিহীন জ্ঞানকে অসম্পূর্ণ হিসেবে দেখা হয়।
সিএ/এমআর


