চলতি মাসের মধ্যেই ফেনী এবং ঝিনাইদহ জেলায় দুটি বড় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পর এ তথ্য নিশ্চিত করেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
বৈঠকে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পানি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ড. আইনুন নিশাতসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে দেশের সার্বিক পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, খাল ও জলাধার পুনঃখনন এবং সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
পানিসম্পদমন্ত্রী জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও জলাধার খননের মহাপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষিজ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পানির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও জানান, এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে গত ১৬ মার্চ দিনাজপুরে খাল খনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা।
বৈঠক শেষে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ খাল ও নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কেউ যেন নদী বা খাল দখল করতে না পারে সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন।
এ ছাড়া সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে ১২০০ কিলোমিটার খাল খননের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পানি বণ্টন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং ফারাক্কার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে কারিগরি পর্যায়ে কাজ চলমান রয়েছে। দেশের পানিসম্পদ সংরক্ষণ ও সেচ সুবিধা বৃদ্ধিতে সরকার দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই সমাধানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সিএ/এএ


