রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে হামে আক্রান্ত দুই শিশু ভর্তি হয়েছেন। তাদের বয়স ৯ মাসের কম। শুক্রবার পর্যন্ত তারা ৫–৬ দিন শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিয়েছেন, তবে আজ রোববার থেকে আলাদা কক্ষে রাখা হয়েছে।
হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আয়েশা সুলতানা প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, ঈদুল ফিতরের সময়ও হামে আক্রান্ত আরও দুই শিশুকে ভর্তি করা হয়েছিল, যারা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
রমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় শিশু ওয়ার্ডের পাশে একটি কক্ষ আইসোলেশন করা হয়েছে। বর্তমানে ওই কক্ষে লালমনিরহাট থেকে আসা ৮ মাস বয়সী আমাতুল্লাহ জান্নাত এবং দিনাজপুরের ৭ মাস বয়সী প্রজ্ঞা রায়কে রাখা হয়েছে।
আবদুস সালাম, আমাতুল্লাহর বাবা বলেন, ঈদের আগের দিন বাচ্চার জ্বর আসে। হাসপাতালে চিকিৎসার পর এখন তার হার্ট মোটামুটি ভালো আছে। প্রজ্ঞার বাবা রণজিৎ রায় জানিয়েছেন, মেয়ের শরীরে প্রথম রোগের লক্ষণ ৬ মার্চ দেখা দেয়। কয়েকটি হাসপাতালে চিকিৎসা চলার পর ২৪ মার্চ তাকে রমেকে ভর্তি করা হয়।
রমেক হাসপাতালের শিশু আইসোলেশন কক্ষে দুই শিশু ও তাদের অভিভাবকরা রয়েছেন। তবে আইসোলেশন কক্ষে নেবুলাইজার মেশিন ও অক্সিজেনের কিছু ঘাটতি রয়েছে।
হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানিয়েছেন, শিশু ওয়ার্ডে হামে আক্রান্ত রোগীদের জন্য আলাদা আইসোলেশন ব্যবস্থা করা হয়েছে। বয়স্ক রোগীদের জন্যও আলাদা কর্নার প্রস্তুত রয়েছে। তবে রংপুর অঞ্চলে এখন পর্যন্ত হাম বিপজ্জনক পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়েনি।
সিএ/এমই


