রমজান মাসকে ঘিরে মানবিকতার চর্চা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছে রবি। ছোট্ট কিছু উদ্যোগের মাধ্যমে হাজারো মানুষের জীবনে স্বস্তি ও আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত এই কর্মসূচি ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বিভিন্ন স্থানে।
বাংলাদেশে রমজান এলে দৈনন্দিন জীবনের ছন্দে আসে পরিবর্তন। এই সময় মানুষ একে অপরের প্রতি আরও সহমর্মী হয়ে ওঠে। সেই চেতনাকে সামনে রেখে প্রচলিত বিজ্ঞাপনের বাইরে গিয়ে বাস্তবমুখী কিছু কাজের মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেয় রবি।
ধারণাটি ছিল সহজ—সঠিক সময়ে একটি ছোট কাজই কারও জীবনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। দেশের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের ছোট ছোট উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই বার্তাই ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
ঢাকা ও চট্টগ্রামে ইফতারের আগে যানজটে আটকে থাকা পথচারীদের মাঝে খেজুর ও পানি বিতরণ করা হয়। সারাদিন রোজা রেখে যারা পথে ছিলেন, তাদের জন্য এই সহায়তা স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
অসহায় মানুষের জন্য কাজ করা ভালো কাজের হোটেলের উদ্যোগেও সহযোগিতা করে রবি। রিকশাচালক, নির্মাণশ্রমিকসহ নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ইফতার আয়োজনের মাধ্যমে এই উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করা হয়।
ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুদের জন্য তৈরি করা হয় একটি প্লে জোন, যা তাদের একঘেয়ে সময়কে আনন্দময় করে তোলে। অন্যদিকে চাঁদপুরের একটি এতিমখানায় শিশুদের মাঝে ঈদের নতুন পোশাক ও উপহার বিতরণ করা হয়।
সিলেটের মুরাইছড়া চা বাগানের একটি ছোট স্কুলে পাঠানো হয় বই, স্কুলব্যাগ, খেলার সরঞ্জাম, স্মার্ট টিভি ও ইন্টারনেট সংযোগ। এতে করে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যায়।
এই উদ্যোগগুলোর মূল লক্ষ্য ছিল দৃষ্টি আকর্ষণ নয়, বরং বাস্তব পরিবর্তন আনা। ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে বড় প্রভাব তৈরির এই বার্তা সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
সিএ/এমআর


