দৈনন্দিন ব্যবহারে স্মার্টফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া অনেকের জন্যই একটি সাধারণ সমস্যা। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে বা বিদ্যুৎ না থাকলে এই সমস্যা আরও ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে কিছু সহজ অভ্যাস ও সেটিংস পরিবর্তনের মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারি দীর্ঘ সময় ব্যবহারযোগ্য রাখা সম্ভব।
ব্যাটারি খরচের বড় একটি কারণ হলো স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখলে ব্যাটারির ওপর চাপ কম পড়ে। প্রয়োজনে অটো বা অ্যাডাপটিভ ব্রাইটনেস ব্যবহার করা যেতে পারে, যা পরিবেশ অনুযায়ী আলো নিয়ন্ত্রণ করে।
একই সঙ্গে অনেক অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থেকে অজান্তেই ব্যাটারি খরচ করে। তাই ব্যবহার না করা অ্যাপ বন্ধ রাখা এবং সেটিংস থেকে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাক্টিভিটি সীমিত করা গুরুত্বপূর্ণ। এতে ব্যাটারির ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।
লোকেশন সার্ভিস, ব্লুটুথ বা হটস্পট চালু থাকলে দ্রুত চার্জ কমে যায়। প্রয়োজন ছাড়া এসব ফিচার বন্ধ রাখলে ব্যাটারি দীর্ঘ সময় টিকে থাকে। পাশাপাশি চার্জ কমে গেলে ব্যাটারি সেভার বা পাওয়ার সেভিং মোড চালু করলে ফোনের অপ্রয়োজনীয় কার্যক্রম সীমিত হয়।
নোটিফিকেশন নিয়ন্ত্রণ করাও ব্যাটারি সাশ্রয়ে কার্যকর। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখলে বারবার স্ক্রিন জ্বলে ওঠা বন্ধ হয় এবং ব্যাটারির ওপর চাপ কম পড়ে।
নিয়মিত সফটওয়্যার ও অ্যাপ আপডেট রাখাও জরুরি। নির্মাতারা আপডেটের মাধ্যমে ব্যাটারি পারফরম্যান্স উন্নত করে থাকে। এছাড়া ভাইব্রেশন কম ব্যবহার করলে অতিরিক্ত শক্তি খরচ কমানো যায়।
ছোট ছোট এই অভ্যাসগুলো মেনে চললে স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘ সময় কার্যকর রাখা সম্ভব।
সিএ/এমআর


