জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর নির্মিত একটি সাঁকো ভেঙে পাঁচ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় উদ্ধার কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি টানা প্রায় সাত ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে উদ্ধার অভিযান তদারকি করেন।
শনিবার ঈদের দিন বিকেলে সাঁকোটি ভেঙে পড়লে পাঁচ শিশু নিখোঁজ হয়। খবর পেয়ে প্রতিমন্ত্রী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয়দের সমন্বয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়। পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশ নেন।
উদ্ধার অভিযান কয়েক ঘণ্টা ধরে চলার পর নদী থেকে একে একে শিশুদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকা শোকাহত হয়ে ওঠে। এ সময় প্রতিমন্ত্রীকেও আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়।
রাতের দিকে গণমাধ্যমকে তিনি জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ওই স্থানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘শুধু আর্থিক সহায়তা দিয়ে সন্তানদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, তবে আমি এলাকায় থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকব।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকেও শোকবার্তা পৌঁছে দেওয়ার কথা জানান তিনি এবং দ্রুত একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত চাপের কারণে ড্রামের ওপর নির্মিত অস্থায়ী সাঁকোটি ভেঙে পড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর জেলা প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিএ/এমআর


