ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরের পরিবেশে উৎসবের ছোঁয়া আনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন অনেকে। নতুন পোশাক ও খাবারের পাশাপাশি ঘরের সাজসজ্জাও উৎসবের আমেজ তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অতিথি ও স্বজনদের আগমনে ঘরই হয়ে ওঠে আনন্দের মূল কেন্দ্র।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যয়বহুল আসবাব নয়, বরং সৃজনশীল ও পরিপাটি সাজই ঘরকে আকর্ষণীয় করে তোলে। ঈদের আগে অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করলে ঘর অনেক বেশি প্রশস্ত ও আরামদায়ক মনে হয়।
ঘরের পরিবেশে আলোর ব্যবহার বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। সাধারণ আলো বদলে ডেকোরেটিভ লাইট, লণ্ঠন বা স্টার অ্যান্ড মুন এলইডি ব্যবহার করলে ঘরে ভিন্নধর্মী আবহ তৈরি হয়। উষ্ণ সাদা টুনি লাইট ঘরকে আরও স্নিগ্ধ ও উৎসবমুখর করে তোলে।
কুশন কভার বা পর্দা পরিবর্তনের মাধ্যমে সহজেই ঘরের চেহারায় পরিবর্তন আনা সম্ভব। গাঢ় বা উজ্জ্বল রঙের কুশন এবং মানানসই কার্পেট ব্যবহারে বসার জায়গা আরও আকর্ষণীয় হয়। একইভাবে বিছানার চাদর ও পর্দার সমন্বয় ঘরের সৌন্দর্য বাড়ায়।
ডাইনিং টেবিল সাজানোতেও আনা যেতে পারে বৈচিত্র্য। সাদা টেবিলক্লথের ওপর রঙিন রানার, তাজা ফুল এবং সুগন্ধি মোমবাতি ব্যবহার করলে পরিবেশে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। খাবার পরিবেশনেও পরিপাটি ও সুশৃঙ্খল বিন্যাস গুরুত্বপূর্ণ।
প্রাকৃতিক উপাদান যেমন ইনডোর গাছ বা তাজা ফুল ঘরের পরিবেশকে সতেজ করে। মানিপ্ল্যান্ট বা স্নেক প্ল্যান্টের মতো গাছ ব্যবহার করলে ঘরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়ে।
সিএ/এমআর


