পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নৌপথে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে। ভোলায় লঞ্চঘাটগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে, যেখানে যাত্রীরা নানা দুর্ভোগের মধ্যেও বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন।
রাজধানী ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হচ্ছে। ঘাটে পৌঁছানোর পর যাত্রী নামিয়ে আবার ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছে এসব লঞ্চ। একই অবস্থা ভোলা-লক্ষ্মীপুর ও ভোলা-বরিশাল রুটেও দেখা গেছে।
ঘাটে নেমে যাত্রীরা নতুন করে সমস্যায় পড়ছেন। পর্যাপ্ত পরিবহন না থাকায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অটোরিকশা ও বাসের স্বল্পতার কারণে অনেককে বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে।
ঢাকা থেকে আসা এক যাত্রী জানান, ‘সদরঘাট থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চগুলোতে তিলধারণের ঠাই নেই। প্রতিটি লঞ্চ অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ভোলায় আসছে। গরম ও দুর্ভোগের মধ্যেই মানুষ বাড়ি ফিরছেন।’
চট্টগ্রাম থেকে আসা আরেক যাত্রী বলেন, ‘৬০০ টাকা ভাড়ায় চট্টগ্রাম থেকে ইলিশা ঘাট পর্যন্ত এসেছি। আর ইলিশা থেকে বাড়ি পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার পথ যেতে অটোরিকশা ভাড়া চায় ৭০০ টাকা।’
যানবাহনের চাপ বাড়ায় সড়কে যানজটও তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘাট এলাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করছে, তবে এতে যাত্রীদের কিছুটা হাঁটতে হচ্ছে, যা ভোগান্তি বাড়াচ্ছে।
এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করা হলেও বিপুল সংখ্যক যাত্রীর তুলনায় তা পর্যাপ্ত নয়। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ টহল জোরদার করেছে এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
সিএ/এমআর


