সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন বাড়িও অল্প সময়ের মধ্যেই নানা ধরনের জিনিসে ভরে যায়। এর সবকিছু যে প্রয়োজনীয়, তা নয়। অনেক সময় ভবিষ্যতে কাজে লাগতে পারে—এই ভাবনায় বা ভুলে যাওয়ার কারণে অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমে থাকতে থাকে। ফলে ধীরে ধীরে বাড়ির বিভিন্ন কোণায় ছোটখাটো জিনিসপত্র জমে গিয়ে ঘরদোর অগোছালো হয়ে পড়ে।
তবে একটু সচেতনতা থাকলে এই সমস্যা সহজেই সমাধান করা সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। নিয়মিত কিছু অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেললে ঘর পরিষ্কার রাখা সহজ হয় এবং বাসার পরিবেশও থাকে আরামদায়ক। বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তত পাঁচ ধরনের জিনিস ফেলে দিলে ঘরের জায়গা যেমন খালি থাকে, তেমনি পরিচ্ছন্নতাও বজায় থাকে।
অনলাইনে কেনাকাটার কারণে অনেকের ঘরেই বিভিন্ন আকারের বাক্স জমে থাকে। অনেকেই মনে করেন ভবিষ্যতে এগুলো কাজে লাগতে পারে। কিন্তু বাস্তবে এসব বাক্স বেশিরভাগ সময় অযথা জায়গা দখল করে এবং ধুলো জমার ঝুঁকি বাড়ায়। প্রয়োজনীয় তথ্য বা ওয়ারেন্টির স্টিকার থাকলে সেগুলোর ছবি তুলে রেখে বাক্স ফেলে দেওয়া ভালো।
রান্নাঘর বা ফ্রিজে অনেক সময় মেয়াদোত্তীর্ণ প্যাকেটজাত খাবার পড়ে থাকে। নিয়মিত খেয়াল না করলে এসব খাবার জমে যায় এবং রান্নাঘর অগোছালো হয়ে ওঠে। সময়মতো এসব খাবার ফেলে দিলে রান্নাঘর পরিষ্কার রাখা সহজ হয়।
বাজার থেকে কেনা পানির বোতল বা রেস্তোরাঁর খাবারের প্লাস্টিকের কৌটা অনেকেই জমিয়ে রাখেন। কিন্তু এর বেশিরভাগই পরে আর ব্যবহার করা হয় না। তাই প্রয়োজন শেষে এগুলো সরিয়ে ফেলাই ভালো।
এ ছাড়া নিমন্ত্রণপত্র, বিল, পুরোনো টিকিট বা বিভিন্ন কুপন অনেক সময় আলমারি বা দেরাজে জমে থাকে। কাজ শেষ হয়ে গেলে এসব কাগজপত্র রেখে না দিয়ে ফেলে দিলে অযথা জায়গা দখল কমে যায়।
মেয়াদোত্তীর্ণ মেকআপ সামগ্রী, শুকিয়ে যাওয়া নেলপলিশ, পুরোনো লিপস্টিক কিংবা রংচটা গহনাও ঘরের অপ্রয়োজনীয় জিনিসের তালিকায় পড়ে। এসব সরিয়ে ফেললে নতুন জিনিস রাখার জন্যও জায়গা তৈরি হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেললে ঘরদোর পরিষ্কার ও গোছানো রাখা সহজ হয় এবং বাসার পরিবেশ থাকে আরও আরামদায়ক।
সিএ/এমআর


