রাজধানীর মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় বাঘ দম্পতি বেলি–টগর চারটি বাচ্চা দিয়েছে। এর মধ্যে তিনটির গায়ের রং সাদা (অ্যালবিনো) বা সাদার সঙ্গে কালো দাগ, আরেকটির রং হালকা হলুদ ও সাদার মধ্যে কালো দাগ।
জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, চারটি বাচ্চা জন্মের পর থেকে সুস্থ ও সক্রিয় আছে। এটি চিড়িয়াখানার ইতিহাসে প্রথম যে কোনো বাঘিনী একবারে চারটি বাচ্চা দিয়েছে।
এর আগে বেলি–টগর দম্পতি ২০২২ সালে তিনটি বাচ্চা জন্ম দিয়েছিল, এবং আরও দুবার দুটি করে বাচ্চা জন্ম দিয়েছিল। মা বেলি ২০২১ সালের ২৫ মে প্রথম বাচ্চা দিয়েছিল।
বর্তমানে চারটি বাচ্চা মা বেলির সঙ্গে একই খাঁচায় রাখা হয়েছে। খাঁচার আশপাশ জাল ও মশারি দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে, যাতে দর্শনার্থী ও পোকামাকড় বাচ্চাদের কাছে না যেতে পারে। বাচ্চাদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ হচ্ছে সিসিটিভির মাধ্যমে।
জাতীয় চিড়িয়াখানার অ্যানিমেল রেয়ারিং শাখা জানায়, বাচ্চারা চার মাস বয়সে মাংস খেতে শুরু করে। বর্তমানে তারা মায়ের দুধ খাচ্ছে। বাচ্চাদের বয়স আট মাস হলে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
জাতীয় চিড়িয়াখানায় বর্তমানে মোট ১৬টি বাঘ রয়েছে।
সাদা বাঘিনীর মৃত্যু
২০২২ সালে জন্ম নেওয়া সাদা বাঘ জুঁই-এর মৃত্যু হয়েছিল মিলনের সময় পুরুষ বাঘ কসমসের কামড়ে। পরিচালক রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, এটি চিড়িয়াখানায় প্রথমবারের ঘটনা।
জিরাফের নতুন অতিথি
জাতীয় চিড়িয়াখানায় জিরাফ দম্পতি রাজা–লাবণ্যের ঘরে ১০ জানুয়ারি একটি বাচ্চা জন্ম নিয়েছে। এর ফলে চিড়িয়াখানায় জিরাফের সংখ্যা দাঁড়াল সাত। নতুন বাচ্চা দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত।
সিএ/এমই


