মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর অতিক্রম করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হওয়া ১৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। প্রণালি বন্ধ ঘোষণার আগেই এসব জাহাজ ওই পথ অতিক্রম করে বাংলাদেশের দিকে যাত্রা করেছিল বলে জানা গেছে।
এসব জাহাজে জ্বালানি ও শিল্পখাতের গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য রয়েছে। মোট ১৫টি জাহাজে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টন পণ্য বহন করা হচ্ছে বলে বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
জাহাজগুলোর মধ্যে চারটিতে রয়েছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস। এছাড়া দুটি জাহাজে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস এলপিজি এবং বাকি নয়টি জাহাজে সিমেন্ট উৎপাদনের কাঁচামাল ক্লিংকার রয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১২টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে এবং অবশিষ্ট তিনটি জাহাজ চলতি সপ্তাহে বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
তবে জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে এসেছে কি না সে বিষয়ে সরাসরি নিশ্চিত তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম। তিনি বলেন, সাধারণত কোনো জাহাজ সর্বশেষ কোন বন্দর থেকে ছেড়েছে সেই তথ্য চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে থাকে। তবে কোন পথ দিয়ে জাহাজটি এসেছে সে তথ্য বন্দরের কাছে থাকে না।
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, কাতার থেকে এক লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি নিয়ে আল জোর এবং আল জাসাসিয়া নামে দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। এছাড়া এলপিজি নিয়ে সেভান নামে একটি জাহাজ রোববার ৮ মার্চ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এ ছাড়া আগামী বুধবার ৯ মার্চ আল গালায়েল এবং সোমবার লুসাইল নামে আরও দুটি জাহাজ বন্দরের জলসীমায় পৌঁছাতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এসব জাহাজে করে দেশে জ্বালানি ও শিল্পখাতের গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল সরবরাহ অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে এই চারটি জাহাজে প্রায় দুই লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি রয়েছে বলে বন্দর সূত্র জানিয়েছে।
সিএ/এমআর


