মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে ক্রেতাদের হঠাৎ ভিড় বেড়ে গেছে। বিশেষ করে রাজধানীসহ কয়েকটি এলাকায় তেল কিনতে মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি ও গণপরিবহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে।
শনিবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের সামনে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়। শাহবাগ, পরীবাগ, তেজগাঁও ও নীলক্ষেত এলাকার পেট্রোল পাম্পগুলোতে উপচে পড়া ভিড়ের কারণে আশপাশের সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
অনেক জায়গায় কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে মোটরসাইকেল ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহনকে। হঠাৎ ক্রেতাদের বাড়তি চাপের কারণে কোথাও কোথাও তেল সরবরাহে সাময়িক চাপ তৈরি হলেও সরকার জানিয়েছে, প্রকৃতপক্ষে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই।
অহেতুক আতঙ্ক থেকে মানুষ অতিরিক্ত তেল কিনতে ছুটে আসায় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এই অবস্থায় কৃত্রিম সংকট এড়াতে সরকার তেল বিক্রির ক্ষেত্রে কিছু সীমা নির্ধারণ করেছে।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রোববার থেকে নতুন পদ্ধতিতে তেল বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “যে সংশয়টি জনগণের তৈরি হয়েছে, আমরা সেটাকে অস্বাভাবিকভাবে দেখছি না। কারণ একটি যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। ফলে একটা দুশ্চিন্তা বিরাজ করছে। কিন্তু আমি আশ্বস্ত করতে চাই, জ্বালানি তেল নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমাদের কাছে যথেষ্ট মজুত রয়েছে।”
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরবরাহ ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হচ্ছে এবং জ্বালানি বিতরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সিএ/এমআর


