নোয়াখালীর সোনাপুর বাজার থেকে জব্দ করা হয়েছে ১১৩ কেজি ওজনের শাপলাপাতা মাছ। মাছটি পরে বন বিভাগের নোয়াখালী উপকূলীয় কার্যালয়ে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
জেলা বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিলের নেতৃত্বে শুক্রবার সকাল আটটায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। খবর পেয়ে অভিযানকারীরা উপস্থিত হলে মাছ আড়তের মালিক পালিয়ে যান। বন বিভাগের কর্মকর্তারা মাছটি নোয়াখালী উপকূলীয় কার্যালয়ে নিয়ে আসে এবং সংরক্ষণে মাটিচাপা দেন।
বন বিভাগ জানিয়েছে, শাপলাপাতা মাছ বাংলাদেশের নদী ও উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি নদী ও সাগরের তলদেশে বাস করে এবং ছোট মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী খেয়ে খাদ্যচক্র ও বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখে। কিন্তু অতিরিক্ত শিকার, অবৈধ বেচাকেনা ও বাসস্থান ধ্বংসের কারণে এই প্রজাতি হুমকির মুখে রয়েছে।
ইব্রাহীম খলিল জানান, বাংলাদেশ বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী এই ধরনের প্রাণীর শিকার, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ৮–১০ প্রজাতির শাপলাপাতা মাছ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২টি প্রজাতি মহাসংকটাপন্ন (পিতাম্বরী বা নাঙলা ও ঘণ্টি শাপলাপাতা), ৩টি সংকটাপন্ন (পান্না, শিংচোয়াইন ও ঠোট্টা ঘাপরি) এবং কিছু প্রজাতির বিক্রয় নিষিদ্ধ।
সিএ/এমই


