সাতক্ষীরার শ্যামনগরে নওয়াবেঁকী খেয়াঘাটের দক্ষিণে কুপোট গ্রামে বালুর আড়ত থেকে পানি নিষ্কাশনের জন্য উপকূল রক্ষা বাঁধে ছিদ্র করে পাইপ বসানো হয়েছে। ১০-১২ দিন ধরে চলা এ কর্মকাণ্ডে বাঁধের পাঁচ নম্বর পোল্ডারে ছিদ্র করা হয়েছে।
কুপোট গ্রামের জহিরুল ইসলাম, স্বরজিৎ মণ্ডলসহ কয়েকজন গ্রামবাসী জানিয়েছেন, তারা খোলপেটুয়া নদীর তীরে বসবাস করেন। প্রতিবছর নদীর বিভিন্ন অংশের চর দেবে উপকূল রক্ষা বাঁধ ভাঙনের মুখে পড়ছে। উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, চিংড়ি চাষ বা অন্যান্য কাজে বাঁধ কেটে বা ছিদ্র করা হচ্ছে।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সোহেল তাজ নামের এক ব্যক্তি বালুর আড়ত তৈরি করতে বাঁধ কেটে ১০ ইঞ্চি পাইপ বসিয়েছেন। এমনকি চর কেটে নিচেও পাইপ বসানো হয়েছে। বাঁধ কাটায় বাধা দিলে তাদের চাঁদাবাজির মামলায় ফাঁসানোর হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে সোহেল তাজের ভাষ্য, তিনি বাঁধের ভেতরের কিছু জমি ইজারা নিয়ে বালুর আড়ত গড়ে তুলেছেন। নদী থেকে আনা বালুতে পানি থাকে। সেই পানি যাতে সড়ক ও আশপাশের বসতবাড়িতে প্রবেশ না করে, সেজন্য বাঁধের ভেতর দিয়ে পাইপ বসানো হয়েছে। তিনি বলেন, এতে বাঁধের কোনো ক্ষতি হবে না। এছাড়া, অন্য বালু ব্যবসায়ীরাও চরের মধ্যে পাইপ বসাচ্ছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৫ নম্বর পোল্ডারের উপসহকারী প্রকৌশলী সুমন রায় জানিয়েছেন, বিষয়টি আগে কেউ জানাননি। এভাবে বাঁধ ছিদ্র করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, পরিদর্শনের জন্য লোক পাঠানো হচ্ছে। সত্যতা মিললে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিএ/এএ


